1. news@247banglanews.com : NEWS TV : NEWS TV
  2. info@www.247banglanews.com : 24/7 Bangla News :
শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০৯:০০ পূর্বাহ্ন

হাদি হত্যা মামলার ‘মাস্টারমাইন্ড’ বাপ্পির আয়-সম্পদে অসঙ্গতি পেয়েছে সিআইডি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার কথিত মাস্টারমাইন্ড যুবলীগ নেতা ও সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাজুল (তাইজুল) ইসলাম চৌধুরী ওরফে বাপ্পির বিরুদ্ধে আড়াই কোটি টাকা মানিলন্ডারিংয়ের মামলা করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

শুক্রবার (৬ মার্চ) ঢাকা সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খানের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাজধানীর পল্লবী এলাকায় পরিবহন খাত, ফুটপাতের অস্থায়ী বাজার, গার্মেন্টসের ঝুট কাপড় এবং ডিশ ও ইন্টারনেট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি ও প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে বাপ্পির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তাকে প্রধান আসামি করে অজ্ঞাতনামা আরও ছয় থেকে সাতজনের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং আইনে মামলা করেছে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট।

সিআইডির অনুসন্ধানে রাজধানীর পল্লবী–মিরপুর এলাকার প্রভাবশালী এই নেতার আয়-ব্যয়ের হিসাব ও সম্পদ অর্জনের নানা তথ্য উঠে এসেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, তাজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পি দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে ‘স্মার্ট ফ্যাশন’ নামে একটি পোশাক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক এবং বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে অবস্থিত ‘মেসার্স চৌধুরী অ্যান্ড খান অটোব্রিকস’ নামে একটি ইটভাটার স্বত্বাধিকারী হিসেবে পরিচয় দিয়ে আসছিলেন।

তদন্তে দেখা গেছে, ২০১৪ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সময়ে তিনি মোট ৩ কোটি ৮৩ লাখ ৬৫ হাজার ৩৫৫ টাকা আয় করেছেন বলে দাবি করেছেন। তার দেওয়া তথ্যমতে, পোশাক ব্যবসা, মাছের ব্যবসা এবং ইটভাটা পরিচালনা থেকেই এই আয় হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

একই সময়ে তিনি পারিবারিক ব্যয় দেখিয়েছেন ১ কোটি ১১ লাখ ৮৩ হাজার ২৭০ টাকা। সে হিসাবে মোট আয় থেকে পারিবারিক ব্যয় বাদ দিলে তার সম্ভাব্য সঞ্চয়ের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২ কোটি ৭১ লাখ ৭৩ হাজার ৮৫ টাকা।

তবে সিআইডির অনুসন্ধানে তার নামে স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের মোট মূল্য পাওয়া গেছে প্রায় ৪ কোটি ২৭ লাখ ২২ হাজার ৪৭১ টাকা। অর্থাৎ ঘোষিত আয়ের সঙ্গে সম্পদের হিসাব মিলিয়ে দেখা যায়, প্রায় ১ কোটি ৫৫ লাখ ৪৯ হাজার ৩৮৬ টাকার উৎস তিনি দেখাতে পারেননি বলে জানিয়েছে সিআইডি।
এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং আইনে মামলা দায়ের করে বিষয়টি নিয়ে আরও তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট