নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় অবৈধ মাটি ও বালু পরিবহনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে চেয়ারম্যান প্রার্থী আবদুর রহিম (৪৫)সহ অন্তত ৬ জন আহত হয়েছেন।
আহত আবদুর রহিম অভিযোগ করেন, প্রতিপক্ষ বাবর গ্রুপ দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে মাটি ও বালু পরিবহন করে আসছিল।
এতে বাধা দেন তার রাজনৈতিক সহযোদ্ধা আলাউদ্দিন জিকু। এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে প্রতিপক্ষ প্রথমে আলাউদ্দিন জিকুর ওপর চড়াও হয়ে তাকে গালিগালাজ করে।
পরে বিষয়টি জানতে পেরে আবদুর রহিম তাকে বিরোধে না জড়াতে পরামর্শ দেন এবং বিষয়টি স্থানীয় সংসদ সদস্যের দৃষ্টিতে আনার উদ্যোগ নেন।
তিনি জানান, সংসদ সদস্যের ব্যক্তিগত সহকারীকে বিষয়টি অবহিত করার পর ঘটনাস্থল ত্যাগের সময় বাবর গ্রুপের ১০-১৫ জন লাঠিসোটা, পাইপ ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। তার চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে।
তিনি আরও জানান, তার ওপর হামলার খবর পেয়ে তাকে দেখতে যাওয়ার পথে তার তিন ভাই ও এক খালাতো ভাইয়ের ওপরও হামলা চালানো হয়। এতে তার খালাতো ভাই গুরুতর আহত হয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন— জহির (৩৬), সাজ্জাদ হোসেন (২২), মোহাম্মদ ইব্রাহিম (৪৮), আলাউদ্দিন জিকু (৫৭)সহ আরও কয়েকজন।
ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন আবদুর রহিম।
এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, তিনি ঘটনাটি শুনেছেন, তবে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাননি।
অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অন্যদিকে, অভিযুক্ত বাবর দাবি করেন, তার মাটিবাহী গাড়ির চলাচলে আলাউদ্দিন জিকু বাধা দেন এবং চাঁদা দাবি করেন।
এ সময় তার গাড়ির চালককে মারধর করা হয় বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।