1. news@247banglanews.com : NEWS TV : NEWS TV
  2. info@www.247banglanews.com : 24/7 Bangla News :
শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ০৭:১৪ পূর্বাহ্ন

গাজীপুরে ৫ খুনের প্রধান অভিযুক্ত ফোরকানের মরদেহ উদ্ধার, মিলল পদ্মা নদীতে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬
  • ২২ বার পড়া হয়েছে

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় স্ত্রী, তিন মেয়ে ও শ্যালকসহ পাঁচজনকে গলা কেটে হত্যার আলোচিত ঘটনার প্রধান অভিযুক্ত ফোরকান মিয়ার মরদেহ পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) পদ্মা নদী থেকে তার ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

এর আগে পদ্মা সেতুর ওপর থেকে ফোরকানের ব্যাগ ও জামাকাপড় উদ্ধার করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ভয়াবহ এ হত্যাকাণ্ডের পর তিনি সেতু থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পাঁচ খুনের ঘটনার পর থেকেই ফোরকান পলাতক ছিলেন। তাকে গ্রেফতারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছিল।

এর মধ্যেই পদ্মা সেতুর ওপর একটি ব্যাগ ও কিছু কাপড় পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে যাচাই-বাছাই করে নিশ্চিত হওয়া যায়, সেগুলো ফোরকানের।
গত শুক্রবার (৮ মে) দিবাগত রাতে গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার রাউতকোনা গ্রামে প্রবাসী মনির হোসেনের ভাড়া বাসায় এ মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড ঘটে।

নিহতরা হলেন ফোরকানের স্ত্রী শারমিন, তিন মেয়ে মীম (১৫), মারিয়া (৮) ও ফারিয়া (২), এবং শ্যালক রসুল মিয়া।

জানা যায়, পেশায় প্রাইভেটকার চালক ফোরকান মিয়া প্রায় এক বছর আগে কাপাসিয়ার রাউতকোনা গ্রামের ওই বাড়ির নিচতলা ভাড়া নেন। তার গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার মেরী গোপীনাথপুর গ্রামে। তার বাবার নাম আতিয়ার রহমান মোল্লা।

হত্যাকাণ্ডের পরদিন শনিবার (৯ মে) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ফোরকান তার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী রাশিদাকে ফোন করে জানান, তিনি পাঁচজনকে হত্যা করে পালিয়ে যাচ্ছেন। পরে প্রতিবেশীরা বাড়িটিতে গিয়ে রক্তাক্ত মরদেহগুলো দেখতে পান।

ঘরের মেঝেতে পাশাপাশি পড়ে ছিল তিন শিশুকন্যার গলাকাটা মরদেহ। তাদের মা শারমিনের মরদেহ জানালার গ্রিলে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় ঝুলছিল। আর শ্যালক রসুল মিয়ার মরদেহ পড়ে ছিল বিছানার ওপর।

ঘটনাস্থল থেকে দেশীয় মদের খালি বোতল, রান্না করা পায়েশ ও কোকাকোলার বোতল উদ্ধার করা হয়। এছাড়া মরদেহের পাশে কিছু প্রিন্ট করা কাগজও পাওয়া যায়। ওই কাগজের সূত্র ধরে পুলিশ জানতে পারে, ফোরকান এর আগে তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে ১০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করেছিলেন। সেখানে স্ত্রীর পরকীয়ার বিষয়ও উল্লেখ ছিল।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহ ও পরকীয়াজনিত বিরোধের জের ধরেই এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট