1. news@247banglanews.com : NEWS TV : NEWS TV
  2. info@www.247banglanews.com : 24/7 Bangla News :
শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ০৬:০৮ অপরাহ্ন

এসপির নাম ভাঙিয়ে টাকা দাবির অভিযোগ পুলিশের এসআইর বিরুদ্ধে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

বগুড়া সদর উপজেলার মালগ্রাম এলাকায় একটি ভেটেরিনারি ওষুধ কারখানায় অভিযান চালিয়ে কাগজপত্র অবৈধ ঘোষণার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে স্টেডিয়াম পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ পরিদর্শক কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগীর দাবি, বগুড়ার পুলিশ সুপারের (এসপি) নাম ব্যবহার করে দফায় দফায় টাকা দাবি করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী মো. নেওয়াজ রনি, যিনি ঠাকুরগাঁও জেলার বাসিন্দা। তিনি মালগ্রাম এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে “নিউ টেক ভেটেরিনারি” নামে একটি ওষুধ কারখানা পরিচালনা করে আসছিলেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গত সোমবার (৫ মে) কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তি ও সাংবাদিক পরিচয়ধারী তিন ব্যক্তি কারখানাটিতে গিয়ে প্রতিষ্ঠানটিকে “ভুয়া” দাবি করে অভিযান চালান।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান স্টেডিয়াম পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক কামরুজ্জামান। পরে তিনি কাগজপত্র যাচাইয়ের কথা বলে কারখানার মালিক ও বাড়ির মালিককে পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে যান।

অভিযোগ রয়েছে, সেখানে বিষয়টি “সমাধান” করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে সাংবাদিক পরিচয়ধারী তিন ব্যক্তি ১০ হাজার টাকা এবং পুলিশ কর্মকর্তা নুরুজ্জামান ৩০ হাজার টাকা নেন।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, দুই দিন পর আবারও পরিদর্শক কামরুজ্জামান বাড়ির মালিকের কাছে গিয়ে “এসপি স্যারকে ম্যানেজ করতে হবে” বলে আরও ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন।

কারখানার মালিক মো. নেওয়াজ রনি বলেন, “আমার সব কাগজপত্র ঠিক থাকার পরও তারা কোনো ত্রুটি খুঁজে না পেয়ে টাকা দাবি করে।

আমাকে ও বাড়ির মালিককে ফাঁড়িতে আটকে রেখে ৮০ হাজার টাকা চাওয়া হয়। পরে বাধ্য হয়ে রাত ১২টার দিকে আইসি নুরুজ্জামানকে ৩০ হাজার টাকা এবং সঙ্গে থাকা তিন সাংবাদিককে ১০ হাজার টাকা দিলে তারা আমাদের ছেড়ে দেয়।”
তিনি আরও দাবি করেন, ঘটনার দুই দিন পর আবার ফোন করে আইসি বলেন, “এসপি স্যারকে ম্যানেজ করতে হবে।” এরপর বাড়ির মালিকের বাসায় গিয়েও ৫০ হাজার টাকার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হয়।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, টাকা লেনদেন ও পরবর্তী দাবির বিষয়ে একটি কল রেকর্ড প্রতিবেদকের হাতে এসেছে।

এ বিষয়ে স্টেডিয়াম পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক কামরুজ্জামান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “টাকা চাওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি।

অভিযোগটি মিথ্যা।” তবে কল রেকর্ডের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।
বগুড়ার পুলিশ সুপার মির্জা আবু সায়েম বলেন, “বিষয়টি আমার কানে এসেছে।

তবে আমার নাম ব্যবহার করে টাকা নেওয়া হয়েছে কি না, তা তদন্ত ছাড়া বলা সম্ভব নয়। ইতোমধ্যে একটি তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট