1. news@247banglanews.com : NEWS TV : NEWS TV
  2. info@www.247banglanews.com : 24/7 Bangla News :
বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৪৭ পূর্বাহ্ন

মোহাম্মদপুর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে ‘আওলাদ সিন্ডিকেট’! ঘুষ ছাড়া মিলছে না সেবা,

অনুসন্ধানী প্রতিবেদক-
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৬ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর মোহাম্মদপুর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে উমেদার ও নকলনবিশদের একটি সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ঘুষ আদায়, সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি এবং দলিল নিবন্ধনে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী চক্র অফিসের কার্যক্রমে প্রভাব বিস্তার করে সাধারণ মানুষকে অতিরিক্ত অর্থ দিতে বাধ্য করছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের উমেদাররা কোনো স্থায়ী সরকারি কর্মচারী নন। তারা সাধারণত মৌখিক বা অস্থায়ী ভিত্তিতে কাজ করেন এবং দলিলপত্র আনা-নেওয়া, ফাইল ব্যবস্থাপনা ও অন্যান্য দাপ্তরিক কাজে সহায়তা করেন। তবে তাদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই ঘুষের মধ্যস্থতা এবং নির্ধারিত সরকারি ফির বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, মোহাম্মদপুর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে দলিল নিবন্ধনের ক্ষেত্রে সরকারি ফির বাইরে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা হয়। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে খতিয়ান, পর্চা, খাজনা, মালিকানা বা জমির শ্রেণি নিয়ে বিভিন্ন ধরনের জটিলতা দেখিয়ে হয়রানি করা হয়। অন্যদিকে অর্থ দিলে দলিল প্রক্রিয়ায় অনিয়মের সুযোগ দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে।

আরও অভিযোগ রয়েছে, উমেদার আওলাদ হোসেনের নেতৃত্বে একটি সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে অফিসে প্রভাব বিস্তার করছে। স্থানীয়দের দাবি, অতীতে তিনি স্থানীয় আওয়ামী লীগ-সমর্থিত জনপ্রতিনিধির ঘনিষ্ঠ ছিলেন এবং সেই প্রভাব কাজে লাগিয়ে তেজগাঁওসহ বিভিন্ন সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে আধিপত্য বিস্তার করেন। এসব অভিযোগের সমর্থনে বিভিন্ন পোস্টার ও ফেস্টুনের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, ২০২৬ সালের ১৮ মার্চ গুলশান এলাকার এক নকলনবিশের কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় আওলাদ হোসেন, তার ভাই মোহাম্মদ আকিবসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ঢাকার বিভিন্ন সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে এই সিন্ডিকেটের প্রভাব রয়েছে এবং তারা বৈধ সরকারি কর্মচারী না হয়েও অফিসের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমে প্রভাব খাটাচ্ছেন।

এদিকে অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে মোহাম্মদপুর সাব-রেজিস্ট্রার আব্দুল কাদিরের সঙ্গে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

দ্রষ্টব্য: এই প্রতিবেদনে উল্লিখিত বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও ভুক্তভোগীদের অভিযোগ এবং অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত বা আদালতের মাধ্যমে এখনো চূড়ান্তভাবে সত্যতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট