1. news@247banglanews.com : NEWS TV : NEWS TV
  2. info@www.247banglanews.com : 24/7 Bangla News :
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৬:৫৭ পূর্বাহ্ন

নোয়াখালীতে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানসহ আহত ১০

কোম্পানিগন্জ প্রতিনিধি..
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৩৮ বার পড়া হয়েছে

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে এক সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার চর এলাহী ইউনিয়নের এলাহী বাজারে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন চর এলাহী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম। তাকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এলাহী বাজার এলাকায় বিএনপির এক পক্ষের নেতা ইব্রাহিম তোতা, ইসমাইল তোতা ও বাহাদুরের নেতৃত্বে হামলার সূচনা হয়। হামলায় সাবেক চেয়ারম্যান তাজুল ইসলামসহ বিএনপি কর্মী মামুন, হেলাল, খোকন, সোহেল ও ইসমাঈলসহ কমপক্ষে ১০ জন আহত হন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চর এলাহী ইউনিয়নে বিএনপির সমর্থকরা আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েন। এর আগে ২০২৫ সালের ২৭ আগস্ট আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুর্বৃত্তদের হামলায় চর এলাহী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল মতিন তোতা নিহত হন।
এ ঘটনার পর তোতার পরিবারের সদস্যরা অস্ত্রধারীদের নিয়ে একটি বাহিনী গঠন করে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে এলাকায় হামলা ও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ রয়েছে। তোতার হত্যাকারী আখ্যা দিয়ে বিএনপির একটি পক্ষকে এলাকা ছাড়া করতে তারা দাঙ্গা-হাঙ্গামা চালিয়ে আসছেন বলেও স্থানীয়দের দাবি।
আহত তাজুল ইসলাম জানান, বিএনপির মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী মো. ফখরুল ইসলামের পক্ষে প্রচারণা করতে গেলে প্রয়াত আবদুল মতিন তোতার ছেলেরা তার ওপর হামলা চালায়। এ সময় তার মোবাইল ফোন ও টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় তিনি থানায় মামলা করবেন বলে জানান।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তোতা পরিবারের সদস্যরা বিএনপির পল্লী উন্নয়ন বিষয়ক সহ-সম্পাদক বজলুল করিম চৌধুরী আবেদকে সমর্থন করে রাজনীতি করছিলেন। সম্প্রতি আবেদ দলের মনোনয়ন না পাওয়ায় তারা বিএনপির প্রার্থী মো. ফখরুল ইসলামের পক্ষে যোগ দেন।
অভিযুক্ত ইসমাঈল তোতা দাবি করেন, বিএনপি নেতা মোস্তাফিজুর রহমান মেম্বার ও সাহাব উদ্দিন তার বাবার হত্যাকারী। তারা ধানের শীষের প্রচারণায় অংশ নেওয়ায় বাগবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। পরে তাদের লোকজনই তাদের পক্ষের কয়েকজনকে মারধর করে আহত করেন।
এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুল হাকিম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযান চালিয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে রয়েছে। আহতদের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এলাকায় কোনো ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সহ্য করা হবে না।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট