1. news@247banglanews.com : NEWS TV : NEWS TV
  2. info@www.247banglanews.com : 24/7 Bangla News :
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন

গাইবান্ধায় নিয়োগ পরীক্ষায় ডিভাইস জালিয়াতি-‘ডিভাইস কিং’ সবুজের বিরুদ্ধে মামলা।

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৪৭ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক | গাইবান্ধা

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করে জালিয়াতির ঘটনায় পুলিশের নথিতে নাম উঠেছে গাইবান্ধার ল্যাব সহকারী মিজানুর রহমান সবুজের। তিনি সংঘবদ্ধ একটি ডিভাইস সিন্ডিকেটের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য বলে তদন্তে উঠে এসেছে।
অভিযোগে বলা হয়, সবুজ পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে আগাম চুক্তি করে ব্লুটুথ ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইস সরবরাহ করতেন। পরীক্ষার সময় বাইরে বসে প্রশ্নের সমাধান করে তা রিয়েল-টাইমে পরীক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা ছিল তার নিয়ন্ত্রণে। প্রতিটি চাকরির বিনিময়ে তিনি ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা আদায় করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
গত ১০ জানুয়ারি গাইবান্ধা সদর থানায় দায়ের করা একটি সাইবার সুরক্ষা মামলায় মিজানুর রহমান সবুজের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তিনি গাইবান্ধা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ল্যাব সহকারী এবং সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের ভাঙা ডিব বাজার এলাকার মৃত আমিনুল ইসলামের ছেলে। স্থানীয়ভাবে তিনি এখন ‘ডিভাইস কিং’ নামে পরিচিত।
উল্লেখ্য, শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সারা দেশের ৬১ জেলার মতো গাইবান্ধাতেও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত (এমসিকিউ) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ওই দিন জেলার ২৪টি পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে ইলেকট্রনিক ডিভাইসসহ ৫২ জন পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়।
ঘটনার পরদিন আটক ৫২ জনসহ মোট ৫৫ জনের বিরুদ্ধে তিন থানায় পাঁচটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়। এর মধ্যে সদর থানায় সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল হান্নান ৩৭ জন পরীক্ষার্থীসহ মোট ৪০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ওই মামলার পলাতক তিন আসামির একজন হিসেবে ৩৯ নম্বর আসামি মিজানুর রহমান সবুজের নাম উল্লেখ করা হয়।
এছাড়া একই মামলায় চক্রের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে সাঘাটা উপজেলার একটি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকসহ আরও দুইজনের নাম উঠে আসে। তারা হলেন— পলাশবাড়ী উপজেলার ঢোলভাঙা ফুটানি বাজার এলাকার লুৎফর রহমান এবং সাঘাটা উপজেলার উল্লা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হরি চন্দ্র।
পরে সদর থানার মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব নেয় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তদন্তে নেমে মূল হোতাদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে মামলার ২৬ জন আসামিকে দুই দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত চলমান রয়েছে এবং ডিভাইস জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত অন্য সদস্যদের শনাক্তে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট